Dr. Abul Kalam Azad Basharজুম্মা খুৎবা

মহররম এবং কারবালা জুম্মার খুৎবা (০৬.০৯.২০১৯) Video

মহররম এবং কারবালা জুম্মার খুৎবা ২ পর্ব (০৬.০৯.২০১৯) Video
মহররম এবং কারবালা জুম্মার খুৎবা ১ম পর্ব Video (০৬.০৯.২০১৯) শুনতে ভিজিট করুন এই লিংকে

আমিরে মুয়াবিয়া ইন্তেকালের পরে ইয়াযিদের হাতে অনেক লোকেরা বায়াত নিল কিন্তু মদিনার অসংখ্য সাহাবী বায়াত নিতে রাজি হলেন না, হযরত ইমাম হুসাইন (রা.) তারা সবাই এসে বলল ইয়াজিদ একজন মদ পান কারি, ইয়াজিদ বাঘ শিকার করে জঙ্গলে সময় কাটায় বিভিন্ন দূরে দূরে সময় কাটায় সে শিকার এর জন্য এর মানে খেলাফাত পালন এর জন্য যে মনযোগ দরকার সে মনযোগ তার মাঝে নাই।

ভাব গাম্ভীর্যতা নাই এবং মাঝে মাঝে সে নামায ছেড়ে দেয় এবং সে মদ পান করে, এমন একটা লোক এই চেয়ারে বসবে যে চেয়ারে বিশ্ব নবী বসে দেশ চালিয়েছিল। ঐ চেয়ারে বসে ছিলেন আবু বকর ছিলেন ওমর উসমান আলী ছিলেন। ইয়াজিদের বাবা মুয়াবিয়া (রা.) এই চেয়ারে বসে দেশ চালিয়েছিলেন।

ইয়াজিদের জন্ম হয়েছিল ২৬ হিজরিতে ইন্তেকাল হল ৬৪ হিজরিতে, বয়স পেয়েছে সে খুব কম ৩৪/৩৫ বছর এর কম বেশী। ৩২/৩৩ বছর বয়সে সে ৩০ এর একটু উপরে সে খেলাফত পেয়েছে অথচ ৭০ বছর বা ৬০ বছর বয়স্ক অনেক প্রাজ্ঞ অনেক পণ্ডিত সাহাবি জীবিত ছিল। হাজার হাজার সাহাবী জীবিত ছিল। ঐ যোগ্য যোগ্য সাহাবী থাকতে ইয়াজিদের মত মদ পান কারি রাষ্ট্রের ক্ষমতায় চলে যায়। এটা হুসাইন মেনে নিতে পারেন নাই। আর এটাইতো স্বভাবিক কারণ মসজিদের ইমাম যদি আপনারা নেন আর শোনেন ইমাম বিড়ি খায় ইমাম পর্দা করে না, ইমামের মুখে দাঁড়ি নাই, ইমাম মাঝে মাঝে নামায ও পড়ে না। বলুনতো এই ইমামকে সবাই ইমাম হিসেবে নিতে রাজি হবেন। অবশ্যই না।

যদি ছোট্ট একটা মসজিদের ইমাম মুত্তাকী হওয়া লাগে, পাঁচশত বা হাজার মানুষের ইমাম যদি মুত্তাকী হওয়া লাগে সে আল্লাহ্‌র ভয় কারি হওয়া লাগে, আমানত দ্বার হওয়া লাগবে নামাযী হওয়া লাগে পরহেজগার হওয়া লাগে, লাখ লাখ লোকের যে ইমাম হবে রাষ্ট্র যে চালাবে তার আরও বেশী মুত্তাকী হওয়া দরকার।

Tags
Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close