Daily Quotes

করোনা ভাইরাস

নিচের আয়াতগুলো পড়ুন, মনে হচ্ছে যেন মাত্রই নাজিল হল!
.
-সূরা আহযাব-৯
আর তারপর আমি তোমাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে পাঠিয়েছিলাম এক ঝঞ্ঝা বায়ু এবং এক বাহিনী। এমন এক বাহিনী যা তোমরা চোখে দেখতে পাওনি।
(তারমানে আগেও এমন ভাইরাস আজাব কোন গোত্র কিংবা বিশ্বব্যাপী এসেছিলো!!)

.-সূরা আন‌আম-৪২
তারপর আমি তাদের উপর রোগব্যাধি, অভাব, দারিদ্র্য, ক্ষুধা চাপিয়ে দিয়ে ছিলাম, যেন তারা আমার কাছে নম্রতাসহ নতি স্বীকার করে।
(ইতালির প্রধানমন্ত্রীর আসমানী ভরসার কথা মনে করিয়ে দেয়। প্রসংগত, আমাদেরও হয়তো পুরোপুরি মুসলমান হওয়ার আবেদন জানিয়ে আকাশের দিকে তাকানোর সময় চলে আসছে)
.
-সূরা ইয়াসীন-২৮-২৯
তারপর ( তাদের এই অবিচার মূলক জুলুম কার্য করার পর ) তাদের বিরুদ্ধে আমি আকাশ থেকে কোনো সেনাদল পাঠাইনি । পাঠানোর কোনো প্রয়োজন‌ও আমার ছিল না । শুধু একটা বিস্ফোরণের শব্দ হলো, আর সহসা তারা সব নিস্তব্ধ হয়ে গেল ( মৃত লাশ হয়ে গেল )
.
-সূরা আ’রাফ-১৩৩
শেষ পর্যন্ত আমি এই জাতিরকে পোকামাকড় বা পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ, রক্ত, প্লাবন ইত্যাদি দ্বারা শাস্তি দিয়ে ক্লিষ্ট করি ।
(আসতেছে আরেক আজাব)
.
-সূরা বাকারা-২৬
নিশ্চয়ই আল্লাহ্ মশা কিংবা এর চাইতেও তুচ্ছ বিষয় ( ভাইরাস বা জীবাণু ) দিয়ে উদাহরণ বা তাঁর নিদর্শন প্রকাশ করতে লজ্জাবোধ করেন না ।
(বিশ্বব্যাপী এই মহামারী নিয়ে আল্লাহর সুস্পষ্ট অবস্থান)
.
-সূরা আ’রাফ-৯৪
ওর অধিবাসীদেরকে আমি দূঃখ, দারিদ্র্য রোগ-ব্যধি এবং অভাব-অনটন দ্বারা আক্রান্ত করে থাকি । উদ্দেশ্য হলো তারা যেন, নম্র এবং বিনয়ী হয় ।
(উন্নত দেশগুলোর চাইতেও আমরা অহংকারী। ইহুদী খ্রিষ্টানর বিনয়ী হয়ে গেছে ইতিমধ্যে, এবার হয়ত আমাদের পালা)

-সূরা মুদ্দাসসির-৩১
তোমার “রবের” সেনাদল বা সেনাবাহিনী ( কত প্রকৃতির বা কত রূপের কিংবা কত ধরনের ) তা শুধু তিনিই জানেন ।
.
-সূরা আন’আম-৬৫
তুমি তাদের বলো যে, আল্লাহ্ তোমাদের ঊর্ধ্বলোক হতে বা উপর থেকে এবং তোমাদের পায়ের নিচ হতে শাস্তি বা বিপদ পাঠাতে পূর্ণ সক্ষম ।
.
-সূরা কামার-৩৪
তারপর আমি এই লূত সম্প্রদায়ের ওপর প্রেরণ করেছিলাম প্রস্তর বর্ষণকারী এক প্রচন্ড ঘুর্ণিবায়ু ।
(আজাবের রকমফের, কৃতকর্ম অনুযায়ী)
.
-সূরা ইউনুস-১৩
অবশ্যই আমি তোমাদের পূর্বে বহু জাতিকে ধ্বংস করে দিয়েছি, যখন তারা সীমা অতিক্রম করেছিলো।
(এবার কোন জাতি পুরোপুরি ধ্বংস হবে কিনা আল্লাহই জানেন)
.
-সূরা বাকারা-১৪৮
নিশ্চয়ই আল্লাহ্ প্রতিটি বস্তুর উপর (অর্থাৎ আরশ, পঙ্গপাল কিংবা ভাইরাস) সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান, সব‌ই তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন ।
(আল্লাহর ইশারা ছাড়া কিছুই হয় না। প্রতিটা মানুষের অসুস্থতা, মৃত্যু সবকিছুই তার হাতে)

-সূরা বাকারা-১৫৫
আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে কিছু ভয়, ক্ষুধা, জান-মালের ক্ষতি এবং ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে পরীক্ষা করব । তবে তুমি ধৈর্যশীলদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও ।
(আল্লাহ আমাদের ধৈর্যশীল হিসেবে কবুল করুন)
.
-সূরা সাফফাত-১৭৩
আর আমার বাহিনীই হয় বিজয়ী ( আমার পরিকল্পনা পূর্ণ করে )
.
-সূরা ত্বা’হা-১৪
নিশ্চয়ই আমিই হলাম “আল্লাহ” । অতএব আমার আইনের অধীনে থাকো ।
.
-সূরা আ’রাফ-১৩০
তারপর আমি ফেরাউনের অনুসারীদেরকে কয়েক বছর পর্যন্ত দুর্ভিক্ষে রেখেছিলাম এবং অজন্ম ও ফসলহানি দ্বারা বিপন্ন করেছিলাম । ( সংকটাপন্ন এবং বিপদগ্রস্থ অবস্থায় রেখেছিলাম ) উদ্দেশ্য ছিল, তারা হয়তো আমার পথ-নির্দেশ গ্রহণ করবে এবং আমার প্রতি বিশ্বাস আনয়ন করবে আনবে । ( আমার আধিপত্য স্বীকার করে নিবে )
(এবার হয়তো আমরা সত্যি সত্যি আল্লাহর পথে আসবো)
.
-সূরা আ’রাফ-৯৮
নাকি জনপদের অধিবাসীরা চিন্তা মুক্ত হয়ে গিয়েছে এই বিষয়ে যে, আমি তাদের উপর শাস্তি পাঠাবো না, এমন অবস্থায় যে যখন তারা আমোদ-প্রমোদে লিপ্ত ছিল ??
.
-সূরা ইব্রাহিম-৪২
জুলুমকারী বা ক্ষমতার অপব্যাবহার কারীদের সম্পর্কে তুমি কখনোও মহান আল্লাহকে উদাসীন মনেকরবে না ।
(সবাই তাইই মনে করে)
.
-সূরা মার‌ইয়াম-৭৪
আমিতো তাদের পূর্বে বহু মানব গোষ্ঠীকে ( তাদের সীমা লঙ্ঘনের কারণে ) সমূলে বিনাশ করে দিয়েছিলাম । তারা তাদের চাইতেও সম্পদে এবং জাঁক-জমকে শ্রেষ্ঠ ছিল ।

-সূরা নং-২৯, আয়াত-৫৩
নিশ্চয় যারা জালেম তথা কাফের তাদের উপর চূড়ান্ত শাস্তি আসবে আকস্মিকভাবে, যেন তারা কিছুই বুঝে উঠতে পারেনি ।
(মুসলিম জালেমের সংখ্যাটাই বেশী)
.
-সূরা হজ্জ-৪৮
আমি বহু জনপদকে এমন অবস্থায় বেঁচে থাকার সুযোগ দিয়েছিলাম যে তারা ছিল অপরাধী, সীমালংঘনকারী সম্প্রদায় । তারপর ( নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর ) আমি তাদেরকে পাকড়াও করি ।
.
( ভাবার্থ- আল কোরআন )

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close